A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: ini_set(): Headers already sent. You cannot change the session module's ini settings at this time

Filename: Session/Session.php

Line Number: 282

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_set_cookie_params(): Cannot change session cookie parameters when headers already sent

Filename: Session/Session.php

Line Number: 294

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: ini_set(): Headers already sent. You cannot change the session module's ini settings at this time

Filename: Session/Session.php

Line Number: 304

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: ini_set(): Headers already sent. You cannot change the session module's ini settings at this time

Filename: Session/Session.php

Line Number: 314

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: ini_set(): Headers already sent. You cannot change the session module's ini settings at this time

Filename: Session/Session.php

Line Number: 315

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: ini_set(): Headers already sent. You cannot change the session module's ini settings at this time

Filename: Session/Session.php

Line Number: 316

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: ini_set(): Headers already sent. You cannot change the session module's ini settings at this time

Filename: Session/Session.php

Line Number: 317

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: ini_set(): Headers already sent. You cannot change the session module's ini settings at this time

Filename: Session/Session.php

Line Number: 375

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_set_save_handler(): Cannot change save handler when headers already sent

Filename: Session/Session.php

Line Number: 110

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

A PHP Error was encountered

Severity: Warning

Message: session_start(): Cannot start session when headers already sent

Filename: Session/Session.php

Line Number: 143

Backtrace:

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
Line: 6
Function: __construct

File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
Line: 324
Function: require_once

মুকুলে ছেয়ে গেছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় সূর্যপুরী আমগাছ- পথরেখা |PothoRekha News
  • A PHP Error was encountered

    Severity: Warning

    Message: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php:9)

    Filename: public/c_date.php

    Line Number: 6

    Backtrace:

    File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/views/public/c_date.php
    Line: 6
    Function: header

    File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/views/public/header_details.php
    Line: 134
    Function: include

    File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/application/controllers/Public_view.php
    Line: 71
    Function: view

    File: /home/teamdjango/public_html/pathorekha.com/index.php
    Line: 324
    Function: require_once

    শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫
    ২১ চৈত্র ১৪৩১
    ঢাকা সময়: ১৫:৫৩

মুকুলে ছেয়ে গেছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় সূর্যপুরী আমগাছ

  • জাতীয়       
  • ১৪ মার্চ, ২০২২       
  • ১২৯
  •       
  • ১৪-০৩-২০২২, ১৯:৩০:৩২

দেশকন্ঠ প্রতিবেদন : ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারী সীমান্তে মন্ডুমালা গ্রামে অবস্থিত সূর্যপুরী আমগাছটির। প্রায় তিন বিঘা জায়গাজুড়ে দাঁড়িয়ে আছে গাছটি। অসংখ্য ইতিহাসের সাক্ষী প্রাগৈতিহাসিক যুগের প্রাচীন এই আমগাছ। উত্তরের জনপদে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা এ গাছটি ৯০ ফুট উঁচু। এর ডালপালার দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ ফুট। গাছটির বয়স কত, তা সঠিক কেউ বলতে না পারলেও এলাকার বেশির ভাগ মানুষই একমত যে, প্রায় ২০০ বছরের কম হবে না এর বয়স। উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া আমগাছটির বর্তমান মালিক হলেন নূর ইসলাম ও সাইদুর ইসলাম। জানা যায় তাদের বাবার দাদা এ গাছটি লাগিয়েছিলেন। প্রতিবছর গাছটিতে প্রচুর সূর্যপুরী আমের ফলন হয়। প্রতিটি আমের ওজন হয় ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম। বরাবরের মতো এবারও গাছটি মুকুলে ভরে গেছে। এতে এর সৌন্দর্য বেড়েছে বহুগুণ। দূর থেকে দেখা যায় আরও সুন্দর। এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় আমগাছ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে সূর্যপুরী আমগাছ। এটিকে ঘিরে এরই মধ্যে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারি গ্রাম পরিচিতি পেয়েছে দেশজুড়ে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আমগাছটি দেখার জন্য ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। গাছের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন তারা। শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ দর্শনার্থীরা গাছের ডালে উঠেও ছবি তুলে স্মৃতি ধরে রাখছেন সবাই। ঢাকা থেকে আসা দর্শনার্থী সাইফুল্লাহ আল হেলাল বলেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জেনেছি যে এ জেলায় সবচেয়ে বড় আমগাছ সূর্যপুরী। আজ নিজ চোখে দেখা হলো তার সঙ্গে। বিশ্বাস করতে ভালো লাগছে যে এটি এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বড় আমগাছ। তবে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা উচিত বলে আমি মনে করি।
 
রাজশাহী থেকে আসা দর্শনার্থী রিপন আহমেদ বলেন, আমি সাত ঘণ্টা মোটরসাইকেল জার্নি করে এখানে এসেছি। একটি ভিডিওতে দেখেছিলাম, সবচেয়ে বড় আমগাছ বালিয়াডাঙ্গীতে অবস্থিত। আজ গাছটি দেখে আমি বিমোহিত হয়েছি। জীবনে এত বড় আমগাছ আমি দেখিনি। এখন মুকুল থাকায় এর সৌন্দর্য আরও বেড়েছে। তবে আমি বলতে চাই, আমরা যারা অনেক দূর থেকে আসি, তাদের জন্য অবশ্যই বিশ্রাম ও খাবারের ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন। কিন্তু এখানে সেই ব্যবস্থা নেই। এখানে একটি রেস্ট হাউস, ভালো মানের রেস্টুরেন্ট এবং একটি মানসম্মত ওয়াশরুম স্থাপন করা জরুরি। এতে দর্শনার্থীরা উপকৃত হবে। দর্শনার্থী আবু হোসেন বলেন, আমি ছোটবেলায় জানতে পারি যে এখানে একটি বড় আমগাছ আছে৷ আজকে দেখলাম ও উপলব্ধি করলাম এটি সৃষ্টিকর্তার উপহার৷ দেখে অনেক ভাল লাগলো। যে বিষয়টি না বললেই না যে গাছের মুকুল গুলো অনেক তরতাজা। গাছের ডগায় ডগায় মুকুল ধরছে যা আমাকে বিমোহিত করেছে। আসলেই আমি গাছটি দেখে অনেক খুশি। আরেক দর্শনার্থী নাজিমা খাতুন বলেন, পরিবারসহ সবাই মিলে গাছটি দেখতে এসেছি। দেখে অনেক ভালো লাগল। আর গাছ যে এত বড় হয়, তা এটি না দেখলে বিশ্বাস হতো না। এর প্রতিটি ডালও এক-একটি গাছের মতো।
 
পঞ্চগড় থেকে আসা বজলার রহমান বলেন, আমি ছাত্রজীবনে একবার এসেছিলাম গাছটি দেখতে। এবার একটু ভিন্নতা মনে হচ্ছে কারণ প্রতিটি ডগায় মুকুলে ভরা। তবে এই গাছের আম খেতে পারলে অনেক ভালো লাগত। সরকার এই গাছের আমকে যদি আলাদাভাবে বাজারজাত করার প্রক্রিয়া করে, তাহলে ভালো হয়। অনেকেরই এই গাছের আম খেয়ে আশা পূরণ হবে। মালিকপক্ষ বলেন, এখানে জমির খাজনা, সরকারি ট্যাক্সের কারণে ভেতরে দর্শনার্থী প্রবেশ বাবদ ২০ টাকা করে নেওয়া হয়। তবে কিছু বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও মানুষ মানে না। গত বছরের চেয়ে এ বছর মুকুল অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। গত বছর ৫০ মণ আম পেয়েছি। এ বছর যে হারে মুকুল ধরেছে, তাতে ৩০০ মণ আম পাব বলে আশা করছি। তিনি আরও বলেন, বাজারের অন্য আমের চেয়ে এই গাছের আমের দাম একটু বেশি রাখা হয়। যেহেতু এটির চাহিদা অনেক বেশি। আমরা প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে বিক্রি করে থাকি৷ বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) যোবায়ের হোসেন বলেন, যেহেতু গাছটি ব্যক্তিমালিকাধীন, তাই তারা চাইলে সেখানে পিকনিক স্পষ্ট, রেস্ট হাউস ও রেস্টুরেন্ট করতে পারেন। আমাদের পক্ষ থেকে তাদের একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। উদ্যোগ নিলে পরবর্তী সময়ে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
যেভাবে যাবেন
ঠাকুরগাঁও শহর থেকে বালিয়াডাঙ্গীর দূরত্ব ২৫ কিলোমিটার। আর বালিয়াডাঙ্গী থেকে দূরত্ব ১০ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে হানিফ, কর্ণফুলী, কেয়াসহ বিভিন্ন পরিবহনে ঠাকুরগাঁ যেতে পারবেন। এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও থেকে বালিয়াডাঙ্গী যেতে লোকাল বাস সার্ভিস আছে। লালমনিরহাট বা ঠাকুরগাঁও রুটে চলাচলকারী ট্রেনেও যেতে পারেন। বাসভেদে ভাড়া পড়বে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকা। আর ট্রেনে ৬৫০ থেকে ১৬০০ টাকা। আর বিমানযোগে যেতে চাইলে ৩৬০০ টাকা সৈয়দপুর পর্যন্ত (টিকিটের দর ওঠানামা করে)। তারপর সৈয়দপুর থেকে বাসে ১০০ টাকা ভাড়া পড়বে। সবশেষ গাছটি দেখতে আপনাকে ২০ টাকায় টিকিট কাটতে হবে।
 
যেখানে থাকবেন
ঠাকুরগাঁওয়ের নর্থ সার্কুলার রোডে হোটেলে প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, হোটেল শাহজালাল, হোটেল সালমা ইসলাম, হোটল সাকেদসহ বেশ কিছু আবাসিক হোটেলে থাকতে পারবেন। এ ছাড়া সরকারি সার্কিট হাউস ও জেলা পরিষদের রেস্ট হাউসেও থাকার ব্যবস্থা আছে।
 
খাবেন যেখানে
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় জনপ্রিয় বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট আছে। খাবারের মানভেদে একেক রেস্টুরেন্টে একেক মূল্য রাখা হয়। নিরিবিলি হোটেল, বাবুর হোটেল, আনসারি হোটেল, নিউ সুরুচি হোটেলসহ আরও অনেক আছে। এ ছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের জনপ্রিয় খাবার শুঁটকি ও মসলার মিশ্রিত ‘সিদল ভর্তা’ এবং চালের গুঁড়ার পিঠার স্বদ নিতে পারবেন।
দেশকন্ঠ/অআ

  মন্তব্য করুন
আরও সংবাদ
×

পথরেখা : আমাদের কথা

আমাদের পোর্টালের নাম— pathorekha.com; পথরোখা একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল। আমরা এই প্রতিষ্ঠানকে প্রতিদিনের সত্য-সংবাদের পথরেখা হিসেবে প্রমাণ করতে চাই। পথরেখা সারাদেশের পাঠকদের জন্য সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এবং মতামত প্রকাশ করবে। পথরোখা নিউজ পোর্টাল হিসেবে ২০২৩ সালের জুন মাসে যাত্রা শুরু করলো। অচিরেই পথরেখা অনলাইন মিডিয়া হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করবে। পথরোখা  দেশ কমিউনিকেশনস-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
 
পথরোখা জাতীয় সংবাদের উপর তো বটেই এর সঙ্গে রাজনীতি, আন্তর্জাতিক, খেলাধুলা, কৃষি, বিনোদন, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, তথ্য ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন বিভাগকেও গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে। মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা এবং চৌকস ফটোগ্রাফিকে বিশেষ বিবেচনায় রাখে।
 
পথরোখা’র সম্পাদক আরিফ সোহেল এই সেক্টরে একজন খুব পরিচিত ব্যক্তিত্ব। সাংবাদিক হিসেবে তার দীর্ঘ ৩০ বছর কর্মজীবনে তিনি দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকা, আজকের কাগজ, রিপোর্ট২৪ ডটকম প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। এ ছাড়া তিনি সরকারী ক্রীড়া পাক্ষিক ‘ক্রীড়া জগত’ ও লাইফস্টাইল ম্যাগাজিক অপ্সরা নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তিনি জনপ্রিয় অনলাইন দেশকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
 
পথরেখা দেশের মৌলিক মূল্যবোধ, বিশেষ করে জাতীয় সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ। এছাড়াও, এটি দেশের নাগরিকের মানবিক ও নাগরিক অধিকারের পক্ষে কথা বলবে। ন্যায়পরায়ণতা, নির্ভুলতা এবং বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি যে জনগণের বিশ্বাসযোগ্যতা আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। পথরেখা রাজনৈতিক ইস্যুতে নির্দলীয় অবস্থান বজায় রাখবে। একটি নিরপক্ষ অনলাইন হিসেবে আমরা নিজেদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণ করার শতভাগ প্রছেষ্টা করব। তবে সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করেও কিছু ভুল হতেই পারে। যা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রাখছি সব মহলেই। সততা পথে অবিচল; আলোর পথে অবিরাম যাত্রায় আমাদের পাশে থাকুন; আমরা থাকব আপনাদের পাশে।
 
উল্লেখ্য, পথরেখা হিসেবে একটি প্রকাশনী দীর্ঘদিন থেকে প্রকাশিত হয়ে আসছে। এবার উদ্যোগ নেওয়া হলো অনলাইন অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবে প্রকাশ করার।